তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমানদের তিনি আগেও দেখেছেন। এখন দেখছেন নাহিদ রানাকে। নিজে যেহেতু ফাস্ট বোলার ছিলেন, আকিব জাভেদের এই দেখাটা অবশ্যই সে দৃষ্টিতে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের আগের দিন বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসাই করলেন পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার।
তবে বাংলাদেশের পেসারদের তুলনায় পাকিস্তানের ফাস্ট বোলারদেরই এগিয়ে রেখেছেন আকিব জাভেদ। আজ দুপুরে পাকিস্তানের অনুশীলনের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একবাক্যেই যেন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন পার্থক্যটা, ‘পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার—শাহিন, নাসিম ও হারিসরা বর্তমান এবং ভবিষ্যতেরও সেরা বোলার।’
এত ভালো ফাস্ট বোলারদের নিয়েও অবশ্য চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের ভাগ্যই বরণ করতে হয়েছে স্বাগতিক পাকিস্তানকেও। সেমিফাইনালের আগে দুই দলই বাদ। আজ আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার ম্যাচে দুই দলই খুঁজবে সান্ত্বনার জয়। দর্শক-সমর্থকদের এই ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ না থাকলেও ক্রিকেটারদের কাছে ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন আকিব, ‘আমরা যারা বাইরে আছি, আমরা শুধু একটা ম্যাচ ধরেই আমাদের মনোযোগটা দিই। তবে খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিটি ম্যাচই চাপের। ব্যাটিং করতে যাবেন, কিছুই সহজ নয় সেখানে। সব সময় শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। আর এটা তো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি—এটা কোনো বাছাইপর্বের খেলা নয়।’
আকিবের দৃষ্টিতে এই টুর্নামেন্টের কোনো দলই ছোট নয়। কাজেই কালকের ম্যাচটাও তাই তাদের কাছে অন্য ম্যাচের মতোই গুরুত্বপূর্ণ, ‘কালকের ম্যাচটা অন্য যেকোনো ম্যাচের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে আপনি যখন একবার পিছিয়ে পড়বেন আপনি চেষ্টা করবেন একটা ভালো কিছু করে আমার জীবনে ফিরতে। কালকের দিনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন। দিনটা সামনে রেখে আজ আমরা কঠোর পরিশ্রম করব।’
দুপুরে রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামে এসেও সেই পরিশ্রমটা করা হয়নি পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের। অনুশীলনে নেমেও মাঠ থেকে উঠে যেতে হয়েছে বৃষ্টির কারণে। কাল রাতের বৃষ্টিটা আজ সকালের দিকে চলে গেলেও দুপুর থেকেই আবার ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে ইসলামাবাদে। পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশ দলের অনুশীলনও তাই বাতিল করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে অনুশীলন করার কথা ছিল বাংলাদেশের।