দ্যা নিউ ভিশন

এপ্রিল ৪, ২০২৫ ২২:২৩

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে সালাহউদ্দীন: ‘শেষ ম্যাচ কি না আপনারাই লিখে দেন’

মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের হয়ে দুই ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের স্কোর ০ ও ২। মাহমুদউল্লাহ খেলেছেন এক ম্যাচ। ১৪ বলে ৪ রানে আউট হন। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ দুটি ম্যাচ হেরে এই টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকেও পড়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারে ব্যাটিং–ব্যর্থতায় মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। বাজে শট খেলে তাঁরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আউট হওয়ায় বড় স্কোর পায়নি বাংলাদেশ।

মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে তাই আজ রাওয়ালপিন্ডিতে সংবাদ সম্মেলনেও কথা উঠল। জানতে চাওয়া হয়েছিল, আগামীকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ শেষ ম্যাচ খেলবেন, এমন কোনো আলোচনা ড্রেসিংরুমে হয়েছে কি না?

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর সমালোচনায় তাঁদের অবসর নেওয়ার গুঞ্জন শুরু হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। প্রশ্নকর্তা সাংবাদিক সেই গুঞ্জনের প্রসঙ্গ তুলেই প্রশ্নটি করেন বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীনকে। কোচের উত্তর, ‘গুঞ্জন আপনারা যেহেতু শুনেছেন, আপনারাই ফলটা দিয়ে দিয়েন। আমরা তো কোনো কিছু শুনিনি। আপনারা যেহেতু শুনেছেন, আমার মনে হয় আপনারাই পত্রিকার জন্য লিখে দিয়েন। আমরা এখান থেকে কিছু বলতে পারব না। আমরা এমন কিছু শুনিনি।’

এ প্রশ্নের আগে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল। সালাহউদ্দীনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সিনিয়র হিসেবে তাঁদের বাড়তি দায়িত্ব এবং মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না পাওয়ার জন্যই কি দলের এই ব্যর্থতা? কোচের উত্তর, ‘স্কোয়াডে যে ১৫ জন খেলেন, সবাই ম্যাচ ফি সমানই পান। সিনিয়রদের বাড়তি টাকা দেওয়া হয় না। সবারই সমান পারফর্ম করতে হবে। এটা জাতীয় দল। এখানে সবারই সমান দায়িত্ব। সবারই ভূমিকা সমান। আমার কাছে মনে হয় যে তাঁদের সবাইকেই সমান পারফর্ম করতে হবে। একটা টুর্নামেন্টে কেউ ভালো না–ও খেলতে পারে। এখানে একজনের দোষ না ধরে, আমার মনে হয় পুরো দল হিসেবেই আমরা বাজে খেলেছি বলে হেরেছি।’

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৩৩৭টি ডেলিভারি ডট খেলেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড ম্যাচের উদাহরণ টেনে কোচ বলেছেন, ‘তারা যদি আরও কিছু ডট বল খেলত, আমি কিছু মনে করতাম না। কারণ, স্কোরবোর্ডে আমাদের যথেষ্ট রান ছিল। তাই আমি মনে করি, আমরা ভালো অবস্থানেই ছিলাম। সেখান থেকে যখন ৩টি উইকেট পড়ে গেছে, আমরা রানের গতি বাড়ানোর সুযোগ পাইনি। ডট বলতে খেলতে পারেন, রান রেটটা কেমন ছিল সেটাও দেখতে হবে। যদি আমাদের ২০ ওভারে ৬০ রান থাকত, তাহলে ভাবতাম না আমরা খুব খারাপ অবস্থায় ছিলাম। আমাদের ২০ ওভার প্রায় (গড়ে) ৫ করে রান রেট ছিল…চেষ্টা করব মাঝের ওভারে ডট বলের সংখ্যাটা যেন আরও কমে। তাদের যে সামর্থ্য নেই, তা নয়। নিউজিল্যান্ডকেও কৃতিত্ব দিতে হবে। তারা উইকেট অনুযায়ী বল করেছে। সেটার জন্য আমাদের ডট বলের সংখ্যাটা একটু বেশি হয়ে গেছে।’

Related News

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ

ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আশা

ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ যাঁরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী