দ্যা নিউ ভিশন

এপ্রিল ৪, ২০২৫ ১৮:২৯

নারী ফুটবলের টালমাটাল সময়ে এল একুশে পদক

২০২৪ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জেতে বাংলাদেশ

নারী ফুটবলারদের বিদ্রোহের মধ্যেই আজ সন্ধ্যায় এল খবরটা। ২০২৫ সালের একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়া দলের একুশে পদক পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। দুই যুগ আগে সংস্থা হিসেবে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

নারী ফুটবল দলের একুশে পদক পাওয়ার খবরে অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দুই শব্দে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভালো লাগছে।’

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল বলতে সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা দলটিকে বোঝানো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে গত অক্টোবরে নেপালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ধরে রাখার পর বাংলাদেশ জাতীয় নারী দল আর কোনো ম্যাচ খেলেনি। এর ফলে সর্বশেষ খেলা দলটিই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়ে থাকতে পারে।
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল দুবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে। প্রথমবার ২০২২ সালে, দ্বিতীয়বার ২০২৪ সালে।

নারী ফুটবলের জন্য সুখবরটা এসেছে এমন সময়ে, যখন সাফজয়ী ১৬ ফুটবলারসহ জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা ১৮ জন নারী ফুটবলার কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাফুফে ভবনের নিচে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সাবিনা খাতুন, ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, রুপণা চাকমা, সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দারা ঘোষণা দিয়েছেন, পিটার বাটলার কোচ থাকলে তাঁরা গণ-অবসরে যাবেন। সেই ঘটনায় এখন টালমাটাল দেশের নারী ফুটবল।

সংকট সমাধানে বাফুফে গঠিত সাত সদস্যের বিশেষ কমিটি আজ রাতে বাফুফে সভাপতির কাছে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা। কমিটি নিজেদের মধ্য শেষবারের মতো সন্ধ্যায় সভায় বসার কথা। সেই সভায় কী হয়, প্রতিবেদনে কী থাকে, জল্পনার মধ্যেই বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের একুশে পদক পাওয়ার ঘোষণা এল।

বাংলাদেশে এর আগে কোনো খেলার কোনো দলই একুশে পদক পায়নি। সংস্থা হিসেবে ২০০১ সালে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিল বিসিবি। স্বাধীনতা পদকের জন্য স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল অনেকবারই আবেদন করেছিল। কিন্তু তারা এখনো পুরস্কার পায়নি।

Related News

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ

ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আশা

ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ যাঁরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী