গত মৌসুমে প্রথমবার বরিশালকে বিপিএল শিরোপার স্বাদ দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৪৯২ রান করে হয়েছিলেন সেরা ক্রিকেটারও। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্টে সেরা হওয়ার পেছনে তামিমের নেতৃত্বও ভূমিকা রেখেছিল।
এবারও বরিশাল খেলবে তামিমের নেতৃত্বে। স্বাভাবিকভাবেই এবারও তামিমের বরিশালের চোখ শিরোপাতেই থাকবে, জানিয়েছেন দলটির স্পিনার নাঈম হাসান। সঙ্গে তামিমের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন নাঈম।
নাঈম এর আগে বরিশালে খেলেছেন ২০২১-২২ সালে। সেই মৌসুমে বরিশালের নেতৃত্ব ছিল সাকিব আল হাসানের কাঁধে। গত মৌসুমে নাঈম খেলেছেন সিলেটে। বিপিএলে এর আগে তামিমের অধীনে খেলেননি নাঈম। এবারই সেই অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।
তামিম দেশের ক্রিকেটের প্রতিষ্ঠিত একজন অধিনায়ক। বিপিএলে তামিমের অধীনে না খেললেও তামিমের অধিনায়কত্ব সম্পর্কে ভালোই ধারণা আছে এই স্পিনারের। সেই ধারণা থেকে হয়তো নাঈম বলেছেন, ‘ওনার(তামিম) সঙ্গে আগেও খেলেছি সিনিয়র, ওনার অধীনে খেলে অনেক মজা। জাতীয় দলে যখন উনি ছিলেন, তখনো ছিল (মজা)। উনি টিমে থাকলে সব সময় আলাদা সাপোর্ট পাওয়া যায়।’
সর্বশেষ জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টি দিয়ে ৭ মাস পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরেছেন তামিম। এই টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচ খেলে ফিফটি করেন দুটিতে। একটিতে খেলেছেন ৯১ রানের ইনিংস। তামিমের ব্যাটিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নাঈমও এই টুর্নামেন্টের প্রসঙ্গ তুলেছেন, ‘তামিম ভাই তো আল্লাহর রহমতে ভালো ব্যাটিং করছেন। এনসিএলেও দেখেন, তামিম ভাই চারটা ম্যাচ খেললেন, দুইটা বড় স্কোর করলেন। একটায় অপরাজিত ছিলেন। উনি আল্লাহর রহমতে ভালো অবস্থায় আছেন।’
এবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়াই লক্ষ্য বরিশালের, নাঈমদের প্রস্তুতিও সেই লক্ষ্যেই, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের দলের পরিবেশ খুবই ভালো। আমরা আগেরবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এখন সবাই ওই চিন্তাভাবনায় আছে। দলটাকে যত তাড়াতাড়ি গোছানো যায়। আমরা তো সবাই একসঙ্গে খেলি। আলহামদুলিল্লাহ পরিবেশ খুবই ভালো।’
বরিশাল এবার অনেকটা পুরোনো দল নিয়েই খেলবে। মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞদের ধরে রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এ ছাড়া এবার তারা দলে নিয়েছে তাওহিদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন ও রিশাদ হোসেনকে।
৩০ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই মিরপুরে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে খেলবে বরিশাল।