দ্যা নিউ ভিশন

এপ্রিল ৪, ২০২৫ ০১:৩৫

উদ্ধার অভিযান শুরুর পর গাজায় নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬২ হাজারে

ইসরায়েলের হামলায় নিহত শিশুকে নিয়ে যাচ্ছেন স্বজনেরা। ১৮ জানুয়ারি

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনে ৬১ হাজার ৭০৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি এখনো নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা আর বেঁচে নেই। এসব নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা হালনাগাদ করে মৃতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত সরকার। হামলায় ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তারা।

গাজা সরকারের তথ্য বিভাগের প্রধান সালামা মারুফ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৭৬ শতাংশ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে আনা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ১৪ হাজার ২২২ ফিলিস্তিনি এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। অথবা সেসব জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারেননি।

গাজা সিটির আল–শিফা হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সালামা মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, নিহতদের মধ্যে ১৭ হাজার ৮৮১টি শিশু, যার মধ্যে ২১৪টি নবজাতক রয়েছে। ইসরায়েলের আগ্রাসনে ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এঁদের বিরাট এক অংশ মৌলিক সুবিধাবঞ্চিত হয়ে ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্য রয়েছেন। অনেক বাড়িঘর গোরস্তানে পরিণত হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষের মৃত্যু হয়। বন্দী করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয় ২৫০ জনকে। এর প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা চালায় ইসরায়েল। দেড় বছর ধরে চালানো স্থল ও বিমান হামলায় গাজা এখন প্রায় বিরানভূমি। গত মাসে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। আগামী মাসের শুরু পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চলবে। এই সুযোগে গাজার বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নেমেছেন ফিলিস্তিনি উদ্ধারকর্মীরা।

গাজার আল–রশিদ স্ট্রিট থেকে আল–জাজিরার সাংবাদিক তারেক আবু আজম বলেছেন, মানবিক ও চিকিৎসার দায়িত্বে নিয়োজিত দলগুলো এখন উদ্ধার অভিযান রেখে পুনরুদ্ধারের কাজে নেমেছে। শত শত বাড়ি কবরস্থানে পরিণত হয়েছে।

মারুফ আরও বলেন, ইসরায়েল আগ্রাসন চালিয়ে ১ হাজার ১৫৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী, ২০৫ সাংবাদিক ও ১৯৪ বেসামরিক প্রতিরক্ষাকর্মীকে হত্যা করেছে।

Related News

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ

ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আশা

ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ যাঁরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী