দ্যা নিউ ভিশন

এপ্রিল ৪, ২০২৫ ১৪:৫৪

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত, নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধ, অর্থাৎ জানুয়ারি-জুন সময়ের নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ করেছে। এতে আগামী জুন পর্যন্ত নীতি সুদহার বা রেপো রেট ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মানে হচ্ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর ঋণ নেওয়া নতুন করে ব্যয়বহুল হচ্ছে না। কারণ, গত দুই মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে জানুয়ারি-জুন সময়ের জন্য মুদ্রানীতি চূড়ান্ত করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সুদহারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্বল্প সময়ের জন্য ঋণ দেয়, সেটাই হচ্ছে নীতি সুদহার। ইংরেজিতে একে বলে রেপো রেট। রেপোর বাংলা হচ্ছে পুনঃক্রয় চুক্তি। এটা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মুদ্রানীতির একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত।

নতুন মুদ্রানীতিতে আরও বলা হয়েছে, নীতি সুদহার করিডরের ঊর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) বিদ্যমান সুদহার ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং নিচের সীমা স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির (এসডিএফ) হার ৮ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে।

নতুন মুদ্রানীতিতে বলা হয়, বিভিন্ন ধরনের কঠোর আর্থিক নীতি পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে ছিল। তবে এসব নীতির কারণে গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। এতে করে নভেম্বরে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি জানুয়ারিতে কমে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশে নেমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, কঠোর নীতির ধারাবাহিকতা ও অংশীজনদের সহযোগিতায় নিকট ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি ৭-৮ শতাংশে নেমে আসবে।

মুদ্রানীতির বিবৃতি অনুসারে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল করা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য।

Related News

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ

ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আশা

ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ যাঁরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী