ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মসুর ডাল আমদানি শুরু হয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যার দিকে ডালভর্তি একটি ট্রাক ভারত থেকে আখাউড়া স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এর আগে আরও পাঁচ টন ডাল আমদানি হয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় একটি ভারতীয় ট্রাকে পাঁচ টন মসুর ডাল আখাউড়া স্থলবন্দরে এসেছে। রাতেই এসব ডাল বন্দর এলাকায় নামিয়ে রাখা হয়। প্রতি কেজি ডাল ১০৮ টাকা দরে আমদানি করা হয়েছে। এর আগের গত সোমবার প্রথমবারের মতো পাঁচ টন ডাল আমদানি করা হয়। পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে ডাল আমদানি করা হচ্ছে।
আমদানিকারকেরা জানান, বাজারে ভালো দর পাওয়া গেলে ও চাহিদা থাকলে নিয়মিতভাবে ডাল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া অন্যান্য পণ্য আমদানির চিন্তাও করছেন তাঁরা। এর আগে চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এই স্থলবন্দর দিয়ে জিরা আমদানি করা হয়। ৬ জানুয়ারি পাঁচ টন জিরা আসে।
আখাউড়া স্থলবন্দর অবশ্য রপ্তানিমুখী বলেই অধিক পরিচিত। এই স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোয় বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতের কলকাতার এমক্সটিম প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এশিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ১০ টন মসুর ডাল আমদানি করেছে। প্রতি টন প্রতি মসুর ডাল ৯০০ ডলারে আমদানি করা হয়েছে। আখাউড়া স্থলবন্দরের মেসার্স আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এসব ডালের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের দায়িত্বে ছিল ।
আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. আক্তার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ১০ টন ডাল আমনদির ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছিল। দুই দফায় ত্রিপুরার স্থানীয় বাজার থেকে ১০ টন ডাল আমদানি করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি পরীক্ষামূলক আমদানি। সবকিছু ঠিক থাকলে রমজান সামনে রেখে আরও এলসি খোলা হবে। আর এই স্থলবন্দর দিয়ে ডালের পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিরও পরিকল্পনা রয়েছে।