দ্যা নিউ ভিশন

এপ্রিল ৪, ২০২৫ ১৮:২৮

অনেকটাই স্থবির অর্থনীতি, রিজার্ভে সামান্য স্বস্তি,ফিরে দেখা ২০২৪

বছরজুড়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি।

শ্বেতপত্রে অর্থনীতির দুর্দশার ব্যবচ্ছেদ।

জুলাই-আগস্টের ধকল কাটাতে পারছে না রাজস্ব খাত।

পটপরিবর্তনের পর প্রকল্পের অনেক ঠিকাদার নিরুদ্দেশ।

নেতিবাচক সব অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে শুরু হয়েছিল ২০২৪। আগস্ট মাসে যখন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে, অর্থনীতি তখন রীতিমতো সংকটে। চাপ সামলাতে অন্তর্বর্তী সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলেও গত প্রায় পাঁচ মাসে গতি পায়নি অর্থনীতি। এ সময়ে সবচেয়ে বড় অর্জন হলো অর্থনীতির সংকটকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। শ্বেতপত্রের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির যে ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগের ব্যাপক লুটপাটের চিত্রও উঠে এসেছে।

এখনো উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছেন। ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। কিছুটা ইতিবাচক আছে রপ্তানি ও প্রবাসী আয়। তবে সামষ্টিক অর্থনীতির বাকি প্রায় সব সূচকই তলানিতে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগ স্থবির হয়ে রয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণ–আন্দোলনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে শিল্প খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে অস্থিরতা কাটছে না। চাঁদাবাজি চলছে, যদিও চাঁদাবাজ বদলের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, অর্থনীতিকে সংকটে রেখেই বিদায় নিচ্ছে ২০২৪।

গত ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর অর্থনৈতিক নেতৃত্বেও বড় পরিবর্তন হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা, পরিকল্পনা উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনবিআর চেয়ারম্যানসহ বড় বড় পদে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগের সরকারের রেখে যাওয়া ‘জঞ্জাল’ সরাতেই অর্থনৈতিক নেতৃত্ব মূলত গত পাঁচ মাস ব্যস্ত ছিলেন।

সংকটকবলিত একটি অর্থনীতি নিয়েই ২০২৪ সালের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থনীতি এখন গতি হারিয়েছে।

Related News

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ

ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আশা

ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ যাঁরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী