দ্যা নিউ ভিশন

এপ্রিল ৫, ২০২৫ ১৮:৩৪

বছরজুড়ে ডিম-মুরগি-আলু ও পেঁয়াজের দামে ভোগান্তি

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চলছে বেচাবিক্রি

বিদায়ী ২০২৪ সালে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় ভিলেন নিত্যপণ্যসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক দাম। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার যেমন দাম কমাতে পারেনি, তেমনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও তাদের চার মাসের চেষ্টায় তেমন একটা সফল হয়নি। ফলে বছরজুড়ে গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষ বাজারে গিয়ে দামের চাপে পিষ্ট হয়েছেন। মধ্যবিত্তের জীবনও কঠিন ও রূঢ় হয়ে গেছে। তাদের পাত থেকে খাবারের কিছু পদ কমেছে।

নিত্যপণ্যের দাম পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুপারশপগুলো মধ্যবিত্ত গ্রাহক ধরে রাখতে ব্যবসায়িক কৌশল পাল্টেছে। মিনি প্যাক শ্যাম্পুর মতো গরুর মাংস, মাছ, মুরগি, সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের কম্বো প্যাকেজ নিয়ে এসেছে, যা দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ ক্রেতাদের অসহায় আত্মসমর্পণের বার্তা দেয়।

সরকার পরিবর্তন, তীব্র তাপপ্রবাহ, একাধিক বন্যা, পণ্য সরবরাহে ঘাটতি, আমদানি ও জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণে বছরজুড়ে দেশে নিত্যপণ্যের বাজার অনেকটাই অস্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে ফার্মের মুরগি ও ডিম, আলু, পেঁয়াজ, চাল, সয়াবিন তেল এবং বিভিন্ন সবজির বাড়তি দামে ভোগান্তিতে ছিলেন নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষেরা।

নিত্যপণ্যের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একপর্যায়ে সরকার বেশ কিছু পণ্য আমদানিতে শুল্ক কমায়। সরকারের এসব উদ্যোগে বছরের শেষ দিকে এসে কিছু পণ্যের দাম অবশ্য কমেছে। পাশাপাশি তিনটি সংস্থার মাধ্যমে খোলাবাজারে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল, আটা, তেল, ডিম ও বিভিন্ন সবজি বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে সরকার। তবে চাহিদার তুলনায় এসব পণ্যের পরিমাণ ছিল অনেক কম।

জিনিসপত্রের চড়া দামের কারণে পুরো বছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ শতাংশের ওপরে। একপর্যায়ে তা দুই অঙ্কের ঘর ছাড়িয়ে যায়। বিশেষ করে দেশে গত ১১ মাসের মধ্যে আট মাসেই খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের ওপরে। এর মধ্যে গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশে ওঠে, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

Related News

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ

ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আশা

ছাত্রশিবির, ছাত্রদলসহ যাঁরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী